পল্লী স্বাস্থ্য
তরুণ এবং দীর্ঘস্থায়ী বা ক্রনিক ডিজিজ হলো দুটি সাধারণ স্বাস্থ্যসমস্যা যা পল্লী এলাকার মানুষকে দারুণভাবে প্রভাবিত করে। তরুণ রোগ বলতে যেগুলো হঠাৎ করে বা কোন সতর্কতা ছাড়াই শরীরে আক্রমণ করে এবং রোগীকে কাহিল করে ফেলে, যেমন যে কোনো সংক্রমণ, সর্দি, হাঁচি-কাশি, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ইত্যাদি। ক্রনিক বা দীর্ঘস্থায়ী রোগ বলতে এমন রোগকে বোঝায় যা শরীরে দীর্ঘ সময় ধরে ঘটতে থাকে বা আক্রমণ করে এবং এর প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা নিয়মিত ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতিরোধ করা যায়। বিভিন্ন ধরনের দীর্ঘস্থায়ী রোগ রয়েছে যেমন হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, স্থূলতা, টিউমার, ক্যান্সার ইত্যাদি। এই রোগের প্রাদুর্ভাব অবস্থা বিশেষ করে শহরে বেশি দেখতে পাওয়া যায়। কারণ পল্লী এলাকার সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করার মতো সুযোগ-সুবিধা শহরে এলাকার মানুষের মত নেই।
আমরা এই প্রবন্ধে মূলত গ্রামের সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুবিধা এবং স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করতে যেসব সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় সেগুলো নিয়ে নিয়মিত আকারে স্বাস্থ্য বুলেটিন, স্বাস্থ্য বার্তা ইত্যাদি ইত্যাদি প্রকাশ করার চেষ্টা চালাবে। এর আগে আমরা বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সম্পর্কে দেখে আসি কোন কোন উৎস থেকে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করে থাকে। চলুন নিম্নে সেই বিষয়ে আমরা চোখ বুলিয়ে আসি।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেবা খাত সমুহের মধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে চারটি অধিদপ্তর যথাক্রমে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর, নার্সিং সেবা পরিদপ্তর ও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর দেশের সকল নাগরিকের স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের জন্য কাজ করে থাকে। এছাড়া সরকারি উদ্দেগের পাশাপাসি বেসরকারি খাত, NGO, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, বাক্তিগত উদ্দেগও দেশের মানুষের স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করা হয়।